1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. আন্তর্জাতিক
  4. খেলাধুলা
  5. বিনোদন
  6. তথ্যপ্রযুক্তি
  7. সারাদেশ
  8. ক্যাম্পাস
  9. গণমাধ্যম
  10. ভিডিও গ্যালারী
  11. ফটোগ্যালারী
  12. আমাদের পরিবার
ঢাকা , সোমবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৫ , ১৬ ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

অভিযোগ রয়েছে দুই কর্মকথার মধ্যে দন্দ, টাকা বা মাংশ দিয়ে করতে হয় ব্যাবসা

পুঠিয়ায় হাটবাজারে ভেজাল খাদ্যপণ্য সয়লাভ, নৈপথ্যে মাসোহারা

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপলোড সময় : ৩১-০৮-২০২৫ ০৭:১৬:৪৮ অপরাহ্ন
আপডেট সময় : ৩১-০৮-২০২৫ ০৭:১৬:৪৮ অপরাহ্ন
পুঠিয়ায় হাটবাজারে ভেজাল খাদ্যপণ্য সয়লাভ, নৈপথ্যে মাসোহারা

রাজশাহী পুঠিয়ায় স্বাস্থ্য কমপ্লেকেক্সের স্বাস্থ্য পরিদশর্কের অনিয়ম দুর্নীতি ও গাফিলতির কারণে বাড়ছে ভেজাল খাদ্যপণ্যের কেনাবেচা। ভেজাল খাদ্যপণ্যে খেয়ে সাধারন মানুষ চরম স্বাস্থ্য ঝুকিতে রয়েছে। স্বাস্থ্য পরিদর্শক হাটবাজারগুলো নজনদারি করার পরিবর্তে মাশোহারা টাকা উঠানো নিয়ে ব্যস্ত থাকে বলে বিভিন্ন হাটবাজার এলাকার ক্রেতা-বিক্রেতাগন অভিযোগ তুলেছেন। 
 
জানা গেছে, উপজেলা ও পৌরসভা মিলে ছোট-বড় হাটবাজার রয়েছে ১৫টি, কশাইখানা রয়েছে ১০টি, বিভিন্ন খাদ্য পণ্যে তৈরির বেকারী ৮টি, প্রায় পাঁচশতাধিক বিভিন্ন প্রকার খাবার দোকান, এ ছাড়া ছোট-বড় মুদিদোকান রয়েছে প্রায় দেড় হাজার। 
 
উপজেল স্বাস্থ্য কমপ্লেকেক্সের স্বাস্থ্য পরিদর্শক দোকান ও হাট-বাজারগুলোতে কোনো প্রকার তদারকি না করায়, সাধারন মানুষরা ভেজাল বাসিপচা এবং অতিনিম্নমানের খাদ্য সামগ্রী কিনতে বাধ্য হচ্ছেন। স্বাস্থ্য পরিদর্শক হাফিজুর রহমান দীর্ঘ ৪ বছর ধরে ফ্যাসিষ্ট সরকারের নেতাদের তদবির করে এই উপজেলার চাকরি করে আসছেন। কারণ সে ফ্যাসিষ্ট সরকারের একজন সত্রিুয় কমী। তাই সরকার পতন হওয়ার পর হতে সে হাট-বাজারে না গিয়ে ভয় দেখিয়ে মাশোহারা আদায় করার অভিযোগ উঠেছে।
 
বানেশ্বরহাট এলাকার জাকিরুল ইসলাম ও পুঠিয়া সদর পৌর এলাকার কামাল হোসেন অভিযোগ করে বলেন, প্রতিটি দোকানের আশপাশের পরিবেশ অত্যন্ত খারাপ। কোনো কোনো খাবার হোটেলগুলোতে বাসিপচা খাবার পরিবেশন করা হচ্ছে। তারপর এলাকার কশাইখানা মাছ বাজারগুলোতে দুগন্ধে প্রবেশ করা কঠিন হয়ে পড়েছে। বেশীরভাগ কশাইরা গভীর রাতে রোগাক্রান্ত পশু জবাই করে সকালে ভালো মাংশ বলে বিক্রি করছে।
 
 ২৭ আগস্ট বানেশ্বর হাটে রোগক্রান্ত গরু জবাই করার অপরাধে উপজেলার নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট এসিল্যান্ড জরিমানা আদায় করেছেন। এ ছাড়া মুদিদোকানগুলো তেলসহ বিভিন্ন ভেজাল খাদ্যপণ্যে ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করার একাধিক নজির রয়েছে। হাট-বাজারের ব্যবসায়ীরা বলেন, খাদ্য সামগ্রীগুলো পরীক্ষা-নীরিক্ষা না করার জন্য উপজেল স্বাস্থ্য কমপ্লেকেক্সের স্বাস্থ্য পরিদর্শক হাফিজুর রহমানকে প্রতিমাসে ঠিকমত টাকা দিতে হয়। হাট-বাজারের কশাইরা জানায়, প্রতিদিন গরুর স্বাস্থ্য পরীক্ষার সনদ এবং মাংশের গুনগত মান পরীক্ষার জটিলতা এড়াতে আমরা প্রতিটি গরুর জন্য ৭শ’ টাকা এবং ছাগলের জন্য দুইশত টাকা দিতে হয়। কশাইরা বলেন, গরু ছাগল জবাই হওয়ার আগেই পৌরসভা এবং স্বাস্থ্য পরিদর্শকের প্রতিনিধিরা এসে বসে থাকেন। হয় টাকা কিংবা মাংস নিয়ে যান। পৌরসভা স্বাস্থ্য পরির্দশক মামুন-অর রশিদ বলেন, পৌরসভার ভেতরের হাট-বাজারগুলো উপজেলা স্বাস্থ্য পরিদর্শক মো. হাফিজুর রহমান আমার দায়িত্ব পালন করে থাকেন। 
 
তবে সূত্র জানায়, স্বাস্থ্য কমপ্লেকেক্সের স্বাস্থ্য পরিদশর্ক এর সাথে পৌর সভার স্বাস্থ্য পরিদর্শকের ঘাফলতি, আবার এই দুই কর্মকর্তার দন্দে বাজার তদারকি হয় পৌরসভা এলাকায়। উপজেলা স্বাস্থ্য পরিদর্শক বাজার মনিটরিং করতে পারে না বলে নিশ্চিত করেছে সূত্রটি। 
 
এ ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য পরিদর্শক মো.হাফিজুর রহমান মাশোহারা নেওয়ার বিষয়ে অস্বীকার করে বলেন, আমি মাঝেমধ্যে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ভেজাল সামগ্রীর বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে থাকি। আমি কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জড়িত নেই।

নিউজটি আপডেট করেছেন : Daily Sonali Rajshahi

কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ